চন্দন রুদ্র : কলকাতা, ৩১ মে, ২০২৬। এই বিশ্বের পুরুষ মহিলা নির্বিশেষে ধূমপান করে থাকেন। আমার স্বর্গীয় পিতৃদেবও ধূমপানে আসক্ত ছিলেন। এই কারণেই শেষ বয়সে সিওপিডিতে আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি। দীর্ঘকালীন সময়ের হাসপাতাল যাপনের পর ডাক্তারবাবুর পরামর্শে ইনহেলার হয়ে উঠেছিল তাঁর নিত্যসঙ্গী।
রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী প্রয়াত বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকেও সিওপিডি(ক্রনিক অবস্ট্রাক্টিভ পালমোনারি ডিজিজ) নামক ফুসফুসের অসুখে ভুগতে হয়েছিল। এই অসুখের বড় কারণ অতিরিক্ত ধূমপান। চিকিৎসকেরা বলেন, হৃদরোগ এবং ফুসফুসে ক্যান্সারকেও ডেকে নিয়ে আসে ধূমপান।
আজ ৩১ মে, বিশ্ব ধূমপান বিরোধী দিবস। গত ২-৩ দিন ধরে বিভিন্ন হাসপাতাল এবং স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ধূমপানের অপকারিতা নিয়ে সাধারণ মানুষ কে সচেতন করার চেষ্টা করছেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য জানাচ্ছে, প্রতি বছর সারা বিশ্বে তামাকের কারণে ৮০ লক্ষেরও বেশি মানুষ মারা যান। যাঁদের মধ্যে প্রায় ১২ লক্ষ মানুষ অধূমপায়ী হয়েও পরোক্ষভাবে ধূমপানের শিকার।
ধূমপানের প্রতিটি টানেই শরীরে ঢোকে বিষ। উদ্বেগজনক খবর, ইদানীং ১৩-১৫ বছর বয়সি কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে ই-সিগারেট ব্যবহারের প্রবণতা বাড়ছে।
ধূমপানের কুফল নিয়ে বিশ্ববাসীকে সচেতন করে তোলার দিনে নিজের ব্যক্তিগত জীবনের একটা কথা শেয়ার করি, বাবাকে দেখে আমি আর সিগারেটকে প্রিয় বন্ধু বানানোর কথা ভাবিনি। আমি তো ভালোই আছি! কিন্তু আপনি?















Be First to Comment