Press "Enter" to skip to content

মানিকতলা সম্প্রীতির অনুষ্ঠান…।

শিল্পী সাম্ভমূর্তি : কলকাতা, ৫ জুলাই, ২০২৬। মানিকতলা সম্প্রীতির আয়োজনে গত ৩০ জুন তাদের অনুষ্ঠান হয়ে গেল সল্টলেকের রবীন্দ্র-ওকাকুরা ভবনে। এটি ছিল চতুর্দশ বর্ষ। সম্পাদক কাজলরেখা মণ্ডলের উদ্যোগে গঠিত এই সংস্থার বন্ধুরা ১৯৯৬ সাল থেকে এইরকম একসাথে রয়েছেন যারা সকলেই মহিলা। অনুষ্ঠানের শিরোনাম রাখা হয়েছিল “সুরের আকাশে তিন নক্ষত্র “। ভারতীয় সংগীত জগতের তিন অনন্য নক্ষত্র ভারতরত্ন লতা মঙ্গেশকর, আশা ভোঁসলে ও সুমন কল্যাণপুরের স্মরণে ছিল এবারের আয়োজন।

সদস্যদের হাত দিয়ে মাঙ্গলিক প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হয়।

সম্প্রীতি জানার নৃত্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। ছোট্ট আরাধ্য মালাকার গাইলো “তোলো ছিন্ন বীণা” ও পরে শোনায় “চুরালিয়া” গানটি। পর্ণা সরকার ভট্টাচার্য “আমায় তুমি যে ভালোবেসেছো” ও আরো দুটি গান শোনান; একটিতে গানের সাথে কবিতা বলেন রূপা নন্দী। বিদূষী সুতপা বসুর গলায় “ময়না গো” ও “দিল দিবানা” এবং পরে ডুয়েটে দেবাশিস দত্তের সাথে শোনালেন “না তুম হমে” ও “ইয়ে রাতে ইয়ে মওসম। মৌ সান্যাল পরিবেশন করলেন “আমার স্বপ্ন দেখার ” “না যেওনা”; পরে শোনান “ইয়ে লড়কা হায় আল্লাহ” বিখ্যাত গানখানি। তাঁর কণ্ঠে চড়া পর্দার দিকে ব্যাপ্তি সবসময়ই আকর্ষণীয়। সমাদৃতা দত্ত শোনালেন “কোন সাগরের টানে” “চ্যেন সে হামকো কভি” ও “আজ তবে এইটুকু থাক”। রাখী নৃত্য পরিবেশন করেন “জিয়া জ্বলে” গানের সাথে । সম্প্রীতি জানা গেয়ে শোনান “লাগজা গলে” ও “আকাশের চাঁদ” গান দুটি। সুমিতা দত্তের কণ্ঠে শোনা গেল “আকাশ অজানা তবু” “আঁখো সে যো উতরি” ও হায় হায়ে প্রাণ যায়”। রিনি মালাকার গাইলেন “কিনে দে রেশমী চুড়ি” “তেরে বিনা জিয়া” ও “দিল দিবানা”। বিশিষ্ট গায়িকা শম্পা কুণ্ডু গেয়ে শোনালেন “মনে করো আমি নেই ” চলে যেতে যেতে” ; রূপা নন্দী কবিতার পরে শোনালেন “মেরা কুছ সামান” অবিস্মরণীয় গানটি। মৌসুমী সাহা সুমন কল্যাণপুরের গানের কোলাজ দিয়ে শুরু করেন; আর পরে “কি লিখি তোমায়” ও “ফিরে এলাম ” দুটি গানের বাংলা ও হিন্দি ভার্সন গাইলেন। অনুষ্ঠানের শেষ হয় সকল গাইয়ের একত্রে “তোরা হাত ধর প্রতিজ্ঞা কর” পরিবেশনে ।

 

 

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *