চন্দন রুদ্র : কলকাতা, ২০ জুলাই, ২০২৬। যোগ্য দল হিসেবেই ২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন হল স্পেন। ফাইনালে লিয়োনেল মেসির আর্জেন্টিনাকে ১-০ গালে হেরে ব্যর্থতা নিয়েই ফিরতে হল। ২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপ জয়ের ১৬ বছর পর ফুটবলে আবার বিশ্বজয়ী স্পেন।
শেষ মুহুর্তে গোল করে ম্যাচের নায়ক হয়ে গেলেন সাত নম্বর জার্সির স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড ফেরান তোরেস গার্সিয়া। নিজের শেষ বিশ্বকাপটা মেসি স্মরণীয় করে রাখতে পারলেন না। চোখের জলে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিলেন ফুটবলের এই কিংবদন্তি। বিশ্বজয়ী গোলরক্ষক মার্টিনেজ রুখে না দাঁড়ালে আর্জেন্টিনাকে আরও একাধিক গোল হজম করতে হত। চতুর্থ বার বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন এ বারের মতো আর্জেন্টিনার কাছে অধরাই থেকে গেল।
ফাইনালে সবদিক থেকেই আর্জেন্টিনাকে পেছনে ফেলে দিয়েছিল কোচ লুই দে লা ফুয়েন্তের দল। গোলশূন্য ম্যাচের ৬২ মিনিটে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নেমেছিলেন গার্সিয়া। আর্জেন্টিনার পেনাল্টি বক্সে তাঁর একটি হেড অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়েছিল। কিন্তু পরে ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ের ১০৬ মিনিটে তাঁরই দুর্দান্ত একটি গোল দ্বিতীয় বার স্পেনকে ফুটবলে বিশ্বজয়ের স্বাদ এনে দিল।
বছর ছাব্বিশের ফুটবলার গার্সিয়া। ক্লাব ফুটবলে খেলেন লা লিগার বার্সেলোনায়। তার আগে ছিলেন ম্যাঞ্চেস্টার সিটির ফুটবলার। ছয় ফুট উচ্চতার ফুটবলারটিই নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে গোল করে সারা দুনিয়ার নজর কেড়ে নিলেন। বিশ্বকাপে একটিই গোল পেয়েছেন গার্সিয়া। সেই গোলেই এই বিশ্বকাপ ফুটবলে লেখা হয়ে গেল নতুন ইতিহাস। ২০২৪ সালে স্পেনের হয়ে ইউরো জয়ের পর এখন তিনি বিশ্বজয়ী ফুটবল তারকা।
সুইডেন বিশ্বকাপে ১৯৫৮ সালে আয়োজক সুইডেনকে ফাইনালে ৫-২ গোলে হারিয়ে বিশ্বজয়ী হয়েছিল ব্রাজিল। সেমিফাইনালে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে দুরন্ত হ্যাট্রিক করার পর ফাইনালে নেমে দু’গোল করে বিশ্বফুটবলে সাড়া ফেলে দিয়েছিলেন পেলে। পেলের মতোই প্রথম বার বিশ্বকাপ খেলতে এসেই ২০২৬ বিশ্বকাপে বিশ্বজয়ের কৃতিত্ব অর্জন করলেন স্পেনের ১৯ বছরের তরুণ তুর্কি লামিনে ইয়ামাল।











Be First to Comment