Press "Enter" to skip to content

মা দশভূজার ভোগে আমিষ নিরামিষ দু রকমের পদ ই দেওয়া হয়…।

দেবাশীষ ভট্টাচার্য : কলকাতা, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬।  এখানে মেয়ে এক বছর পর বাপেরবাড়ি আসে। এখানে “উমা” ঘরের মেয়ে হিসেবে পূজিত হন। দুর্গাপুজো তো শুধু পুজো নয় এটা বাঙালির আবেগ এবং বাংলার ঐতিহ্য।

আমিষ নিরামীষ নিয়ে অনেক তর্ক বিতর্ক চলছে। যেসব মহাজ্ঞানী পণ্ডিত মানুষরা বললেন যে মন্ডপের বাইরে আমিষ খাবারের কোন পদের দোকান দেওয়া যাবে না তাদের বলবো একবার সময় করে পুজোর সময় অষ্টমী ও নবমীর দিনে বেলুড় মঠে চলে যাবেন। মা দশভূজার ভোগে আমিষ নিরামিষ দু রকমের পদই দেওয়া হয়। খিচুড়ি পোলাও লুচি যেমন থাকে তেমনি মাছ ও থাকে, বহু সাবেকি পুজো বা জমিদার বাড়ি পুজো তে পাঁঠা বলি দেওয়া হয় আর সেই বলির প্রসাদ হিসেবে ভক্তদের বিলিয়ে দেওয়া হয়।

কুমারী পুজো

আচ্ছা তারাপীঠ এও তো মা কে মাছের মাথা দিয়ে পুজো দেওয়া হয় । হিন্দু ধর্মে শাস্ত্রে কোথাও আমিষ নিরামিষ এর দন্ড দেওয়া হয় নি। স্বামীজি নিজেই বলতেন ধর্ম জ্ঞানী তখন ই সম্ভব যখন মানুষের ক্ষুধার নিবারন হবে।

বিনীত আবেদন এই পুজো নিয়ে রাজনীতি বন্ধ করুন। বছরের কয়েকটা দিন বাঙালি কে নিজের মত করে আনন্দ করতে দিন।

 

 

More from WorldMore posts in World »

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *