Press "Enter" to skip to content

পুরীর “দেবী অর্ধশোষিণী / অর্ধশিনী”, “মাসিমা মন্দির”…।

উমাপতি দত্ত : পুরী, ২৮ জুলাই, ২০২৬। পুরীর “দেবী অর্ধশোষিণী / অর্ধশিনী”, “মাসিমা মন্দির” , বহু বছর আগে এই মন্দির গাত্রে “জগন্নাথ দেবের মাসির বাড়ি” লেখা থাকতো বাংলায়।

কে এই দেবী অর্ধশিনী?

পুরীর দেবী অর্ধশোষিণী বা অর্ধশিনী মূলত শ্রীজগন্নাথদেবের মাসি নামে পরিচিত।

স্কন্দ পুরাণ অনুযায়ী এই দেবী পুরীকে সমুদ্রের প্লাবনের হাত থেকে বাঁচাতে অর্ধেক সমুদ্রের জল পান করেছিলেন। তাই তাঁর নাম ‘অর্ধশোষিণী’ অর্ধেক জল শোষণকারিণী।

মন্দিরের বিশেষত্ব ও পৌরাণিক কাহিনী অনুযায়ী:-

১). অবস্থান : জগন্নাথ মন্দির ও গুণ্ডিচা মন্দিরের ঠিক মাঝখানে, বড় দণ্ডের ডানপাশে বালাগণ্ডি এলাকায় মন্দিরটি অবস্থিত। এটি পুরীর বিখ্যাত গ্র্যান্ড রোডের মাঝপথে একটি ছোট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ মন্দির।

২). রক্ষাকর্তা:- কপালমোচন শিবের সাথে দেবী অর্ধশিনী পুরী ধামের রক্ষাকর্তা হিসেবে বিবেচিত হন।

৩). রথযাত্রা সংযোগ:- বহুড়া যাত্রার দিন শ্রীজগন্নাথদেবের রথ এই মাসিমা মন্দিরের সামনে থামে। সেখানে শ্রী জগন্নাথ দেবকে ‘পোড়া পিঠা’ ভোগ নিবেদন করা হয়।

জগন্নাথদেব সেই পোড়া পিঠে গ্রহণ করার পর কয়েক রাস্তার দুপাশে দাঁড়ানো কয়েক লক্ষ ভক্তদের মাঝখান দিয়ে রথে চড়ে শ্রীমন্দিরের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়ে থাকেন।

প্রসঙ্গত বলে রাখা ভালো- শ্রী বলরামদেবের রথ, মাতা সুভদ্রা ও শ্রী সুদর্শন দেবের রথ এবং শ্রী জগন্নাথ দেবের রথ, গুন্ডিচা মন্দিরের (সেই অর্থে- গুন্ডিচা মন্দির জগন্নাথ দেবের জন্মস্থান তথা মায়ের বাড়ি )উদ্দেশ্যে রওনা দেন (যেখানে “আদপা বেদীতে” শ্রী বলরাম দেব, মাতা সুভদ্রা দেবী , শ্রী জগন্নাথ দেব ,শ্রী সুদর্শন দেব সৃষ্ট হন) ।

More from CultureMore posts in Culture »

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *