Press "Enter" to skip to content

কালীঘাট মন্দিরে হঠাৎ এনএসজি অপারেশন…! 

কঙ্ক ঘোষ দস্তিদার : কলকাতা, ২৪ আগস্ট, ২০২৬। ২৪ থেকে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত মন্দির ঘিরে ফেলল NSG ও এসটিএফ!

থ্রিডি স্ক্যানার ও থার্মাল প্রযুক্তিতে মুড়ে ফেলা হচ্ছে গোটা চত্বর!  কেন !

কালীঘাট মন্দির ঘিরে এনএসজির থ্রিডি স্ক্যানিং ও মহড়া! ইতিহাসে প্রথমবার তৈরি হলো পৃথক পুলিশ ফাঁড়ি, তুঙ্গে নিরাপত্তা!

১. ২৪ থেকে ২৭ আগস্ট টানা মহড়া:

কোটি কোটি মানুষের ভক্তি ও আবেগের প্রতীক কলকাতার কালীঘাট মন্দিরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বড় পদক্ষেপ নিল প্রশাসন। এনএসজি সদর দপ্তরের নির্দেশ অনুযায়ী, ২৪ আগস্ট থেকে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত টানা তিন দিন ধরে মন্দির চত্বরে বিশেষ নজরদারি ও রেইকি অভিযান চালাচ্ছে ১৩ সদস্যের একটি হাই-প্রোফাইল এনএসজি দল !

দলে রয়েছেন একজন ইউনিট অফিসার, দু’জন অ্যাসিস্ট্যান্ট কমান্ডার এবং ১০ জন দক্ষ কমান্ডো।

 

২. ময়দানে কলকাতা পুলিশ কমান্ডো ও এসটিএফ:

সোমবার সকাল থেকেই কালীঘাট মন্দির চত্বর ঘিরে ফেলে এনএসজির এই বিশেষ দল। তাঁদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন কলকাতা পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিক, স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) এবং কলকাতা পুলিশ কমান্ডো ইউনিটের সদস্যরা।

মন্দিরের প্রতিটি প্রবেশপথ, জরুরি নির্গমন পথ এবং দর্শনার্থীদের চলাচলের রুট খুঁটিয়ে পর্যালোচনা করছেন তাঁরা।

 

৩. থ্রিডি স্ক্যানার ও থার্মাল প্রযুক্তি:

নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যেতে মন্দির চত্বরে ব্যবহার করা হচ্ছে অত্যাধুনিক থার্মাল স্ক্যানার সিস্টেম। পাশাপাশি থ্রিডি প্রযুক্তির (3ডি টেকনোলজি) মাধ্যমে গোটা এলাকা স্ক্যান করে বিস্তারিত ছবি ও তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে, ভবিষ্যতে শক্তিশালী নিরাপত্তা পরিকল্পনা তৈরি করার জন্য।

মন্দির কর্তৃপক্ষের সঙ্গেও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার প্রস্তুতি নিয়ে বৈঠক করেছেন আধিকারিকরা।

 

৪. ইতিহাসে প্রথম পৃথক পুলিশ ফাঁড়ি:

কালীঘাট মন্দিরের নিরাপত্তা বাড়াতে কলকাতা পুলিশ এক নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শুধুমাত্র এই মন্দিরে আগত দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য আলাদা একটি সম্পূর্ণ ‘পুলিশ ফাঁড়ি’ গঠন করা হল। লালবাজারের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো ধর্মীয় স্থানের সুরক্ষায় পৃথক পুলিশ ফাঁড়ি তৈরি হলো।

৫. সর্বোচ্চ সুরক্ষার প্রস্তুতি:

প্রদেশের প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে, বর্তমান সময়ে ধর্মীয় স্থানগুলির সুরক্ষা নিশ্ছিদ্র করা অত্যন্ত আবশ্যক। সেই কথা মাথায় রেখেই সুরক্ষাকবচ সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। প্রতিটি ভক্ত যাতে নির্ভয়ে, নিশ্চিন্তে এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশে মা কালীকে প্রণাম করতে পারেন, সেটাই এখন প্রশাসনের প্রধান লক্ষ্য।

 

 

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *