ড: দীপালোক বন্দ্যোপাধ্যায় : কলকাতা, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬। আমাদের দেবীপূজার অঙ্গ হয়ে দাঁড়িয়েছে একটি লোকাচার ঠাকুর বিসর্জনের আগে বিবাহিত নারীদের “সিঁদুর খেলা “৷ নারী হলেন শক্তি ৷ কপালে ব্রহ্মার অধিষ্ঠান ৷ মাথায় থাকেন লক্ষ্মী দেবী ৷ শরীরের নানা অংশে বিভিন্ন দেবদেবীর অবস্থান বলে তাঁদের কৃপালাভ হয় এটা আমাদের সনাতনী বিশ্বাস ৷ ভবিষ্য পুরাণ মতে সিঁদুর ঈশ্বরের প্রতীক রূপে ভগবান বা ভগবতীকে আহ্বান করতে পরতে হয় ৷ তাই , প্রতিমা বিসর্জনে যাওয়ার আগে দেবীকে সিঁদুর লাগিয়ে বাড়ীর মেয়েরা আত্মীয় স্বজন পাড়া প্রতিবেশী মহিলারা নতুন বা শুদ্ধ কাপড় পড়ে একে অপরের শুধু সিঁথিতে নয় গালে , কপালে , হাতে সর্বত্র সিঁদুর লেপে এই ধর্মীয় তথা সামাজিক আচার পালন করেন ৷ দেবীর কাছে প্রার্থনা করা হয় ,” সর্বলোকের রঞ্জন পরমসৌন্দর্যযুক্ত সিন্দুর তিলক তোমার কপালকে চিরমন্ডিত করুক “৷ যাতে সিঁদুরের মাধ্যমে পরমকরুণাময় ভগবান / পরমকরুণাময়ী মা ভগবতী সংসারের সব দুঃখ দূর করে সব বাধা বিপত্তি কাটিয়ে দেন ৷ মায়ের বিদায়বেলায় বিষাদের মাঝেও সিঁদুর খেলে আনন্দ করা হয় ৷ হাজার হাজার বছর ধরে ভারতবর্ষের বিভিন্ন প্রান্তের মহিলারা বিবাহের সময় থেকে স্বামীর মঙ্গলকামনায় মাথার মাঝখানে সিঁথিতে সিঁদুর পড়ে আসছেন ৷ তবে , বাংলায় সিঁদুর পরার ইতিহাস সুপ্রাচীন হলেও ঠাকুর বিসর্জনের আগে সিঁদুর খেলার ইতিহাস পাঁচশো বছরের আগের নয় ৷ যদিও শ্রীমদ্ভাগবতে কাত্যায়নী ব্রত উপলক্ষ্যে শ্রীকৃষ্ণের মঙ্গলকামনায়
গোপিনীদের সিঁদুর খেলার বিস্তারিত বিবরণ রয়েছে ৷ হরিবংশ পুরাণে আছে শ্রীকৃষ্ণ রুক্মিনীদেবীকে মাথায় সিঁদুর পরিয়ে বিয়ে করেছিলেন ৷ রামায়ণে রামচন্দ্র সীতার সিঁথিতে সিঁদুর দিয়ে বিবাহ করেছিলেন লেখা আছে ৷ মহারাজ শান্তনু নিজের বাঁ হাতের বুড়োআঙুল খানিকটা কেটে সেই রক্ত গঙ্গাদেবীর ললাটে পরিয়ে দিয়েছিলেন ৷ কালী মায়ের ললাটে ও সিঁথিতে মহাদেবের রক্ত তিলক লাগানো ৷ যা মহাশক্তির রূপ ৷ আদিম কালের কৌম সমাজে লাল রং ছিল সৃষ্টির রূপক ৷ এমনকি সিন্ধু সভ্যতাতেও সিঁদুর বা কুমকুম পরার প্রচলন ছিল ৷ আমাদের বাড়ীর মহিলারা বিশ্বের সকলের সঙ্গে নিজ পরিবারেরও সবার মঙ্গল কামনায় ঠাকুর বরণের পর সৌভাগ্যের প্রতীক মনে করে জগন্মাতা কালীর / দুর্গার সামনে সব বয়সী এয়ো নারীকে সিঁদুর দিয়ে ৷ এয়োরা সিঁদুর রাঙা গালে যেন দেবীরূপে অবতীর্ণ হন ৷ সিঁদুর খেলায় মেতে ওঠে ৷ সিঁদুর মেয়েদের ১৬ শৃঙ্গারের অন্যতম ৷ সিঁদুর শুধু খেলার জিনিস বা শৃঙ্গার নয় ৷ লাল রঙ শক্তি ও ভালোবাসার প্রতীক ৷ মাথার সিঁদুর পরার জায়গায় রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ নার্ভ ৷ যা মেডিটেশনে সহায়তা করে ৷ শরীর ও মন চাঙ্গা থাকে ৷ পিটুইটারি গ্রন্থির কাজে সহায়তা করে ৷ ভালো ঘুম হয় বলে সনাতনী বিশ্বাস ৷ লাল সিঁদুরে মাথা রাঙালে সেই সৌন্দর্য হয় অতুলনীয় ৷বিসর্জনের পর ঠাকুর ঘরের মৃন্ময়ী মা চিন্ময়ী রূপে এভাবে রয়ে যান আমাদের হৃদয়ের মাঝে ৷
হিন্দু সধবা মহিলার ভূষণ “সিঁদুর “! বিভিন্ন আচার অনুষ্ঠানের পর “যদিদং হৃদয়ং মম, তদস্তু হৃদয়ং তব” ( আমার হৃদয় তোমার হোক , তোমার হৃদয় আমার হোক ) এই মন্ত্র বলে স্ত্রীর সিঁথিতে সিঁদুর দানের মধ্যে দিয়ে বর-কনে স্বামী -স্ত্রী হয় ৷ তাই , অগ্নি সাক্ষী করে সাত পাক ঘোরা , কন্যাদানের মত বিয়ের অন্যতম প্রধান আচার ,”সিঁদুর দান “৷ বেদ এবং পুরাণ অনুসারে বরকে বিবাহে ভগবান বিষ্ণুর রূপ মনে করা হয় ৷ সেই রূপে বর মেয়ের বাবার আনুগত্য চেয়ে তাঁকে আশ্বস্ত করে যে সে তার মেয়েকে সর্বদা খুশী রাখবে ও কষ্ট দেবে না ৷
রামায়ণে আছে হনুমান সীতাকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন কেন তিনি সিঁথিতে সিঁদুর পড়েন তাতে সীতা উত্তর দেন রামচন্দ্রের দীর্ঘায়ু কামনায় তিনি সিঁদুর পড়েন ৷ হনুমান তখন বলেন সিঁদুর যদি রামের দীর্ঘজীবনের চাবিকাঠি হয় ৷ তবে , তিনিও সিঁদুর পড়বেন ৷ এভাবে হনুমান সারা গায়ে সিঁদুর মাখেন ৷ এখনও বজরংবলীর ভক্তরা হনুমানকে সিঁদুর দান করে নিজের গায়ে মাখেন ৷ মনে করে এতে বজরংবলী তাদের মনের ইচ্ছা পূরণ করবেন ৷ প্রতিমাকে সিঁদুর দিয়ে বাড়ীর বা পাড়ার হিন্দু নারীরা বরণ করে সিঁদুর খেলেন ৷ পুরাণে পড়েছি ভক্ত মহিলাদের ওপর পার্বতী সিঁদুর ছড়িয়ে ছিলেন ৷ নিজের আঙুল চিরে রক্ত দিয়ে তাদের সিঁথিতে পরিয়ে দিয়েছিলেন ৷ এখনও রাজস্থানে এই “গণগোর ব্রত” পালিত হয় ৷ তুলসী দেবী ও শঙ্খাসুরের কাহিনীতে সিঁদুর পরার কথা আছে ৷ তন্ত্রমতে লাল সিঁদুর শক্তির প্রতীক ৷ মানব শরীরে একেক অঙ্গে একেক দেবতার অধিষ্ঠান ৷ সেই হিন্দু বিশ্বাস ললাটে ব্রহ্মার অধিষ্ঠান ৷ তাঁকে তুষ্ট করতে সিঁদুর ব্যবহার হত ৷ এই জায়গাটি হল আজ্ঞাচক্র ৷ আবার মাথায় মা লক্ষ্মী বিরাজমানা ৷ লক্ষ্মীর কৃপায় সংসার যাতে সুখের হয় সেটাও সিঁদুর পরার কারন ৷ তাই বিবাহিতা মহিলাকে বলা হয় শ্রী+লক্ষ্মী = শ্রীলক্ষ্মী ৷
নারী হলেন সংসারের শ্রী কারক ৷ যাকে ছাড়া সংসার অপূর্ণ ৷ আদি শঙ্করাচার্য অষ্টম শতকে তাঁর “সৌন্দর্যলহরী” গ্রন্থে ( শ্লোক ৪৪) বলেছেন ,”তনোতু ক্ষেমং ন- স্তব বদনসৌন্দর্যলহরী / পরীবাহস্রোতঃ সরণিরিব সীমন্তসরণিঃ ৷ / বহন্তী সিন্দুরং প্রবলকবরী -ভার -তিমির / দ্বিষাং -বৃন্দৈ -র্বন্দীকৃতমেব নবীনার্ক কেরণম্ “৷সিঁদুর মা দুর্গতিহারিনী দুর্গা বা শক্তির প্রতীক এবং মঙ্গলরূপী সূর্য বলেছেন ৷ ব্রহ্মান্ড পুরাণের ললিত সহস্রনাম স্তোত্রের ৬৮ শ্লোকে বলা হয়েছে ,” শ্রুতি -সীমন্ত-সিন্দুরী -কৃত -পাদাব্জ -ধূলিকা ৷/ সকলাগম -সন্দোহ -শুক্তি -সম্পুট -মৌক্তিকা “৷ গণেশাষ্টকম্ বন্দনাতে আছে –
” ওঁ ওঁ ওঁকাররূপং ত্র্যহমিতি চ পরং যৎস্বরূপং তুরীয়ং / ত্রৈগুণ্যাতীতনীলং কলয়তি মনসস্তেজ -সিন্দুর – মূর্তিম্ ৷” সিঁথিতে সিঁদুর ও কপালের সিঁদুর টিপ হল শ্রীচক্র ৷ কপালের মাঝখানে সূর্যালোক পড়া আটকাতে সিঁদুর ব্যবহৃত হত বলে কেউ কেউ বলেছেন ৷ মাথায় যেখানে পিটুইটারি গ্রন্থি পর্যন্ত সিঁদুর পরা হয় ৷ বিজ্ঞানসম্মত কিনা জানি না তবে , প্রচলিত ধারণা এতে অল্পবয়সী মেয়েদের হরোমোনাল পরিবর্তন , যৌন ইচ্ছা ও মন নিয়ন্ত্রণে থাকে ৷ স্বামীর কাছে আকষর্ণীয়া করতে ও যৌন ইচ্ছা বৃদ্ধি করতে সিঁদুরের অবদান অনস্বীকার্য ৷ লাল রঙ সৃষ্টির ও সুরক্ষার প্রতীক ৷ বিবাহিতা মানে সন্তান ধারণক্ষম তাই প্রসাধনী হিসাবে এর ব্যবহার ৷ সিঁদুরে দেখতে সুন্দর লাগে ৷ সিঁদুর হিন্দু ধর্মে বিবাহিতা নারীর প্রতীক ৷ তাই , অবিবাহিতা ও বিধবা মহিলারা সিঁথিতে সিঁদুর পরে না ৷ অবিবাহিতা নারী সৌন্দর্যের জন্য কপালে সিঁদুরের টিপ পরে ৷ এর লাল রঙ শক্তি ও ভালোবাসার প্রতীক ৷ নারীকে বৈদিক যুগ থেকে হিন্দুরা শক্তি রূপে দেখেছেন ৷ জ্যোতিষ মতে লাল রঙ মঙ্গল গ্রহের প্রতীক ৷ জ্যোতিষে পারঙ্গম ও বিশ্বাসীরা জানেন কালপুরুষের মাথা মেষ রাশি যা মঙ্গল গ্রহের ঘর তাই মাথায় সিঁদুর , কপালে লাল কুমকুম , হাতে লাল পলা ও পায়ে লাল আলতা পরার প্রচলন হয় ৷ যা যৌন ও উর্বরতা ক্ষমতা বৃদ্ধি করে ৷ ঋতু স্রাব ও সন্তান প্রসবে নারীর রক্তপাত হয় ৷ সিঁদুরের পারদ নাকি ঐ ঘাটতি পূরণ করে ৷ তাই ,মনেহয় তখনকার মানুষ লাল রঙের সিঁদুর , কপালে কুমকুম পরানো শুরু করে ছিল ৷লাল রঙ শক্তি ও ভালোবাসার প্রতীক ৷ লাল সিঁদুরে মাথা রাঙালে সৌন্দর্য হয় অতুলনীয় ৷ যা এখনও আবিষ্কৃত কোন প্রসাধনী করতে পারে না ৷ সিঁদুর মস্তিষ্কের স্নায়ু সুস্থ রাখে ঘুমের সমস্যা দূর করে ও মেডিটেশনে সহায়তা করে৷ হাজার হাজার বছর আগে থেকে সিঁদুর পরার সূত্রপাত ৷ কেউ কেউ ধর্মীয় ও সামাজিক এই প্রথার বিরোধিতা করে একে অধিকার বোধের সূচক বলেছেন ৷ কিছু ঐতিহাসিক বলেছেন কন্যাহরণের সময় যুদ্ধ জয়ী পুরুষ জয় করা মেয়েটির কপাল ফাটিয়ে ঐ রক্তের ফোঁটা পরিয়ে এর সূচনা করেছিলন ৷সেটা বিজয়ীরা কখনো করলেও নিজ স্ত্রীর ক্ষেত্রে সত্যি হতে পারে না ৷হিন্দু মহিলাদের মত এখন ভারতীয় বৌদ্ধ , খ্রিস্টান মহিলারা স্বামীর মঙ্গল কামনায় পরে থাকেন ৷ সিন্ধু সভ্যতাতেও সিঁদুর ও কুমকুম পরার চল ছিল ৷তখন হলুদ গুঁড়ো করে লাল রঙ মিশিয়ে সিঁদুর তৈরী হত ৷সাঁওতালী সমাজে সম্বন্ধ করে বিয়ের ক্ষেত্রে স্বামী বা “অড়াক্ হড় ” দ্বারা “দুওয়ার ইত্তু সিঁদুর ” বা “সিঁদরৌদান ” বা সিঁদুর দান প্রচলিত ৷
শাস্ত্র অনুসারে সিঁথির মাঝ বরাবর সিঁদুর দিতে হয় ৷মনে করা হয় তর্জনী আঙুল দিয়ে সিঁদুর পরলে সংসারে শান্তি আসে ৷ মধ্যমা আঙুল দিয়ে সিঁদুর পরলে আয়ু বৃদ্ধি হয় ৷ সামান্য সিঁদুর লাগানো , সিঁদুর চুল দিয়ে ঢেকে রাখা বা মাথার একপাশে কিংবা সিঁদুরের বিকল্প অন্য লাল রঙ লাগানো নিষেধ ৷ দ্রোপদী নিয়মিত সিঁদুর পরতেন ৷ সিঁদুর একরকম রঞ্জক পর্দাথ লেড অক্সাইড এবং ট্রাইলেড টেট্রাঅক্সাইড ৷ প্লাবাসো প্লাম্বিক এসিড ৷ যার রাসায়ণিক সংকেত Pb3 O2 .কমলা লাল রঙের রঙ্গক , সিন্নাবরের গুঁড়ো ৷শরীর ও মন চাঙ্গা রাখে ৷ পিটুইটারি গ্রন্থির কাজে সহায়তা করে ৷ চিকিৎসক হিসাবে আমরা কনট্রাক্ট ডার্মাটাইটিসের কিছু রোগী পাই ৷ যাদের রাসায়নিক সিঁদুরে এলার্জির জন্য ঐ চর্মরোগ হয় ৷ তবে , একসময় হলুদ , বাদাম ,চুন সহ বিভিন্ন ভেষজ উপাদান দিয়ে সিঁদুর তৈরী হত ৷ আবারও এজন্য ভেষজ সিঁদুরের চাহিদা বাড়ছে ৷ যা ক্ষতিকর নয় ৷ এখন অনেকে প্রাচীন প্রথা মানাকে কুসংস্কার মনে করে সিঁদুর পরার মত সংস্কার মানতে চান না ৷ বলেন ভালোবাসাই আসল ৷ সিঁদুরে কি যায় আসে ৷ তবু , সিঁদুর পরা নারীর সংখ্যা অনেক বেশী ৷ এখনও তাঁরা সিঁথিতে সিঁদুর পরার সময় বলেন “ওঁ কৃষ্ণায় নমঃ” ৷কপালে পরার সময় বলেন ,” ওঁ কেশবায় নমঃ” ৷শাঁখায় সিঁদুর লাগিয়ে বলেন “ওঁ মধুসূদনায় নমঃ” ৷কন্ঠে “ওঁ গোবিন্দায় নমঃ”৷আর সিঁদুর পরার সম্পূর্ণ মন্ত্র হলো ,” ওঁ মাধবায় নমঃ শিরোভূষণ সিন্দুরং ভর্ত্তুরায়ু বিবর্দ্ধনং ৷ সর্বরত্নাকরং দিব্যং সিন্দুরং প্রতিগৃহ্যতাম্ “৷সিঁদুর অন্যতম শৃঙ্গার যাতে নিজের , পরিবারের তথা স্বামীর সুখ ,শান্তি লাভ হয় ৷ সিঁদুর পরতে হয় পূর্ব দিকে মুখ করে ৷ স্নানের পর আধ ভেজা সিঁথিতে শুদ্ধ বস্ত্র পরে সিঁথির মাঝ বরাবর নিচ থেকে উপরদিকে টান দিয়ে সিঁদুর পরতে হয় ৷ রোজ অন্তত একবার সিঁদুর পরতে হয় ৷ একই সিঁদুর কৌটা থেকে অন্য কাউকে সিঁদুর পরতে দিতে নেই ৷ সেক্ষেত্রে অন্য কৌটা ব্যবহার করতে হয় ৷ সিঁথিতে ছাড়াও এর আরো ব্যবহার হয় ৷ ঘটে ও ঘটের উপরের ডাবে সিঁদুর দেওয়া হয় ৷দেবীর সামনে একে অপরের কপালে , গালে , হাতে সর্বত্র সিঁদুর লেপে বা সিঁদুর খেলার মাধ্যমে হিন্দু নারীরা একে অপরের সুখী ও দীর্ঘ দাম্পত্যজীবন কামনা করেন ৷ এর মধ্যে দিয়ে পারিবারিক ও প্রতিবেশীদের শত্রুতার অবসান হয় ৷ আমার লেখা “হিন্দু ধর্ম ” এবং ‘সনাতনী কৃষ্টিকথা ” বই দুটিতে সনাতনী হিন্দু ঐতিহ্য , সংস্কৃতি , দেবদেবী , ধর্মগ্রন্থ , ধর্ম গুরু , পূজা পার্বণ নিয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা পাবেন ৷ হাজার বছর ধরে সারা ভারতে হিন্দু সধবা মহিলারা বিবাহের সময় মাথার মাঝখানে সিঁদুর পড়ে আসছেন ৷ সিঁদুর তাই কুসংস্কার নয় বলে আমার ধারণা ৷










Be First to Comment