Press "Enter" to skip to content

সল্টলেকের গোল্ডেন টিউলিপ এনেছে নানা রূপে পুজোর আহার…। 

নিজস্ব প্রতিনিধি : কলকাতা, ৯ অক্টোবর, ২০২৬। পুজোর খুশি দ্বিগুণ হয়ে ওঠে পেটপুজোর বৈচিত্র্যে। বাঙালির গর্ব সৈয়দ মুজতবা আলী তাঁর জলে ডাঙায় গ্রন্থে লেখেন, আমরা তেতো, নোনা, ঝাল, টক, মিষ্টি এই পাঁচ রস নিয়ে ভোজন সমাপন করি। শঙ্কর লেখেন এক ধাপ এগিয়ে। তিনি লেখেন পাঁচ নয়, ছরকমের স্বাদের কথা। তিনি লেখেন ঝাল, নোনতা, মিষ্টি, তিক্ত, অম্ল কষায়। আমরা নিরামিষ -আমিষ যাই খাই না কেন ; রাজসিক ভোজই খাই অথবা সাধারণ ভাজা- ভর্তা- ঝাল -ঝোল -অম্বল শেষ পাতে মিষ্টিমুখ না হলে বাঙালির তৃপ্তির ঢেঁকুর ওঠে না ঠিকমতো। মিষ্টি অন্ত:প্রাণ বাঙালির আতিথেয়তায় মিষ্টি , সৌজন্য আর ভদ্রতা রক্ষায় মিষ্টি,,,,,,,

সেই ট্র্যাডিশনকে সম্মান জানিয়ে সল্টলেকের সিটি সেন্টার মেট্রো স্টেশনের কাছে অভিজাত গোল্ডেন টিউলিপ হোটেল পুজোর চারদিন লাঞ্চ ও ডিনারে আয়োজন করেছেন প্রায় ৭০ পদের।

তালিকায় সাবেকি আমিষ পদের এলাহী আয়োজনের পাশে রয়েছে বাংলার সাবেকি নিরামিষ খাদ্যের আয়োজন। নারকেল বড়ার পাশে গাছ পাঁঠার চপ, কুমড়ো ফুলের বড়ার পাশে মৌরলা পেঁয়াজি। পাবদা পোস্ত কাসুন্দি। ইলিশ থেকে চিংড়ি। তোপসে থেকে কচি পাঁঠার ঝোল। মধুরেন সমাপয়েত তো আছেই। থাকছে নানা স্বাদের গলা ভেজানো পানীয়।

গোল্ডেন টিউলিপ হোটেলের জেনারেল ম্যানেজার সুমন্ত মাইতি বলেন, গ্রাহকদের রুচির পরীক্ষানিরীক্ষা করে আমরা তালিকা বানিয়েছি। কয়েক রকমের  ব্যুফে যেমন থাকছে তেমন থাকছে ইচ্ছে মতো পদ বেছে নেওয়ার সুযোগ। বাংলা সংস্কৃতি আর ফিউশনের যুগলবন্দিতে এই বিশাল আয়োজন সঙ্গে এক শান্ত স্নিগ্ধ পরিবেশ বাংলার উৎসবপ্রিয় মানুষের সব পেয়েছির স্বাদ এনে দেবে। পুজোর চারদিন দুপুর ১২থেকে দুপুর সাড়ে তিনটে ও সন্ধে ৭ টা থেকে ১১ টা পর্যন্ত গ্রাহক সেবায় আমরা প্রস্তুত।

More from WorldMore posts in World »

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *