Press "Enter" to skip to content

হিন্দুশাস্ত্র মতে, কোজাগরী পূর্ণিমা রাতে দেবী লক্ষ্মী ধনধান্যে ভরিয়ে দিতে ভক্তগৃহে পূজা নিতে আসেন…..।

Spread the love

উত্তর কলকাতার বিধান শিশু উদ্যানে কোজাগরী লক্ষ্মী মূর্তি।

কো জা গ রী ল ক্ষ্মী পূ জা আ জ

বাবলু ভট্টাচার্য : সৌভাগ্য ও ধন সম্পদের দেবী লক্ষ্মী। দুর্গাপূজার পরেই অনুষ্ঠিত হয় লক্ষ্মীপূজা। অর্থাৎ শারদীয় দুর্গোৎসব শেষে প্রথম পূর্ণিমা তিথিতে এই পূজা হয়ে থাকে।

হিন্দুশাস্ত্র মতে, কোজাগরী পূর্ণিমা রাতে দেবী লক্ষ্মী ধনধান্যে ভরিয়ে দিতে ভক্তগৃহে পূজা নিতে আসেন। মা লক্ষ্মীর আরাধনায় সেজে উঠে বাঙালি হিন্দুদের গৃহকোণ। মঙ্গলঘট, ধানের ছড়ার সঙ্গে গৃহস্থের আঙিনায় আজ শোভা পাবে চালের গুঁড়োর আলপনায় লক্ষ্মীর পায়ের ছাপ।

 

অন্নপূর্ণার আলতা রাঙা পায়ের চিহ্ন আঁকা হচ্ছে ঘরে ঘরে। এ উপলক্ষে হিন্দু রমণীরা উপবাসব্রত পালন করেন। সন্ধ্যায় ঘরে ঘরে প্রজ্বালন করা হবে প্রদীপ। ফুল ফল মিষ্টি নৈবেদ্য দিয়ে আরাধনা করবেন লক্ষ্মী মায়ের। দেবেন পুষ্পাঞ্জলি। প্রার্থনা করবেন- “এসো মা লক্ষ্মী বস ঘরে/আমারি ঘরে থাক আলো করে।”

লক্ষ্মীকে আমরা টাকা পয়সার দেবী হিসেবে জানি, আসলে লক্ষ্মীর পরিচয় শুধু ঐ টুকুতেই সীমাবদ্ধ নয়। লক্ষ্মী শুধু ধনই দান করেন না, তিনি জ্ঞান ও সচ্চরিত্রও দান করেন। এক কথায় লক্ষ্মীপূজা করলে, মানুষ সার্বিক ভাবে সুন্দর ও চরিত্রবান হয়। কেবল টাকা-কড়িই ধন নয়। চরিত্রধন মানুষের মহাধন। যার টাকা-কড়ি নেই সে যেমন লক্ষ্মীহীন, যার চরিত্রধন নেই সে তেমনি লক্ষ্মীছাড়া।

যাঁরা সাধক তাঁরা লক্ষ্মীর আরাধনা করেন মুক্তিধন লাভের জন্য।

More from CultureMore posts in Culture »
More from InternationalMore posts in International »

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *