Press "Enter" to skip to content

সুখচরে গঙ্গার পারে ঘোষেদের নতুন কালী বাড়িতে ১০৫ বছরের প্রাচীন জ্যোতির্ময়ী কালী মন্দির

গোপাল দেবনাথসুখচরে গঙ্গার পারে ঘোষেদের নতুন কালী বাড়িতে শ্রী শ্রী জ্যোতির্ময়ী কালী মায়ের পুজোর পরের দিন অন্নকূট উৎসবের আয়োজন করা হয়ে থাকে, এটাই আমাদের পারিবারিক পরম্পরা। প্রতি বছর অন্তত কম করে ৬০০জন ভক্ত প্রসাদ গ্রহণ করেন। এখানে যে কোনো ধর্মের মানুষ মায়ের প্রসাদ গ্রহণ করতে পারেন, এতে কোনো বাধা নিষেধ নেই। এই পুজো প্রসঙ্গে এই পরিবারের সদস্য অধ্যাপক অসিত ঘোষ জানালেন, জ্যোতির্ময়ী কালী মন্দির আমার প্রপিতামহ যতীন্দ্র মোহন ঘোষ ১৯১৪ সালে প্রতিষ্ঠা করেন। মায়ের মূর্তি তিনি স্বপ্নাদেশে পান। তিনি ছিলেন বহুমুখী জ্ঞান এ পারদর্শী। তৎকালীন সময়ে পেশায় ছিলেন এক লব্ধ প্রতিষ্ঠিত আইনজীবী। এই কালী মন্দির, শিব মন্দির, নাট মন্দির ও বাসগৃহ সবই ” শ্রী শ্রী জ্যোতির্ময়ী কালী মাতার দেবত্ব সম্পত্তি” আমি বর্তমানে চতুর্থ বংশধর ও সেবায়েত। এই মন্দিরে নিত্য পূজা ছাড়া ও প্রতিমাসে অমাবস্যায় বিশেষ পূজার আয়োজন করা হয়। এ ছাড়া বছরে তিন বার লক্ষ্মী পূজা, নব বর্ষ উদযাপন, দোলযাত্রা, রথ যাত্রা, শিবরাত্রি ও অন্যান্য অনুষ্ঠানে বিশেষ পূজার আয়োজন করা হয়। শতবর্ষ অতিবাহিত কালীমন্দিরের এক ই ঐতিহ্য আমরা বহন করে চলেছি।বিপুল খরচ সত্ত্বেও এই মন্দির বাড়ির স্থাপত্য ও সুপরিবেশ বজায় রাখতে পেরেছি। যে কোনো শুভ কাজ করার আগে মাকে স্মরণ করা হয় এটাই আমাদের পারিবারিক রীতি। এই পরিবারের প্রবীণ সদস্য সমীর ঘোষ জ্যোতির্ময়ী কালী মায়ের সম্বন্ধে অনেক অলৌকিক ঘটনা র কথা জানালেন। সাধারণ মানুষের অগাধ বিশ্বাস এই অষ্টধাতুর মাকে মন প্রাণ দিয়ে ডাকলে জ্যোতির্ময়ী কালী মাতা ভক্তদের হতাশ করেন না। এই রকম সুন্দর পরিবেশে মায়ের মন্দির ও তার রূপ না দেখলে আফসোস করতে হতে পারে। অন্নকূট এ এত রকম নিরামিষ পদের আয়োজন লিখে শেষ করা যাবে না। অন্নকূটে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য ধন্যবাদ জানাই বাচিক শিল্পী ও সেবায়েত প্রসেনজিৎ ঘোষ কে।

More from GeneralMore posts in General »

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.