Press "Enter" to skip to content

সাধারণ ক্রেতাদের কথা ভেবে অ্যামাজন পে চালু করল অ্যামাজন পে ল্যাটার…….

Spread the love

অত্যাবশ্যকীয় পণ্য, ইলেকট্রনিক্স কিংবা ফ্যাশনের জিনিস, অথবা মুদিখানার জিনিস কেনার জন্য অ্যামাজন ক্রেতাদের দিচ্ছে তাৎক্ষণিক ঋণ। একইসঙ্গে থাকছে বিদ্যুতের বিলের মতো মাসকাবারি বিল মোটানোর সুযোগও

নিউজ স্টারডম: কলকাতা, ৩০ এপ্রিল, ২০২০ : আজ অ্যামাজন প্লে চালু করল ‘অ্যামাজন পে ল্যাটার’ অফার। এই অফারে অ্যামাজন ডট ইনে যাঁরা যোগ্য ক্রেতা তাঁরা কেনাকাটার জন্য পাবেন ভার্চুয়াল ঋণের একটা সুযোগ। প্রথমে একটা সহজ ডিজিটাল সাইন আপের প্রক্রিয়া সেরে ফেলতে হবে । এরপরেই ক্রেতারা ইনস্ট্যান্ট ক্রেডিট অফারের সুযোগ নিতে পারবেন। ওই ঋণের টাকায় দৈনন্দিন দরকারি জিনিসপত্র থেকে ইলেকট্রনিক দ্রব্য কিংবা জামাকাপড়, সবকিছুই কিনতে পারবেন তাঁরা। এই অফার কাজে লাগিয়ে ক্রেতারা অ্যামাজন ডট ইনে কেনাকাটার বিলও মেটাতে পারবেন। অ্যামাজন ল্যাটার পে পরিষেবা কাজে লাগিয়ে পরের মাসেও বিলের টাকা মেটানোর সুযোগ পাওয়া যাবে এবং সেজন্য বাড়তি কোনও টাকা দিতে হবে না। কিংবা সামান্য সুদে সর্বোচ্চ ১২ মাসের কিস্তিতেও এই টাকা মেটানো যাবে।অ্যামাজন পে—এর এই উদ্যোগের লক্ষ্য হল, গৃহস্থালির দরকারি জিনিসপত্র, ইলেকট্রনিক গ্যাজেট, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি, মুদিখানার জিনিসপত্র কেনাকাটার সময় গ্রাহকেরা যাতে তাঁদের বাজেট বাড়াতে পারেন এবং তাঁদের মাসিক বিদ্যুতের বিল, মোবাইল রিচার্জ, ডিটিএইচের বিলও এই অফার থেকে মেটাতে পারেন। পাইলট প্রজেক্ট হিসাবে গোড়ায় এটা চালু করা হয়েছিল হাতে গোনা কয়েকজন ক্রেতার জন্য। এখন অ্যামাজন পে এই ব্যবস্থার সুযোগ পৌঁছে দিচ্ছে তাদের হাজার হাজার যোগ্য ক্রেতাদের কাছে। যোগ্য ক্রেতাদের কাছে ‘অ্যামাজন পে ল্যাটার’ পরিষেবা পৌঁছে দিতে অ্যামাজন পে হাত মিলিয়েছে ক্যাপিটাল ফ্লোট—এর সঙ্গে। ক্যাপিটাল ফ্লোট আবার এই পরিষেবাকে কার্যকর করে তুলতে সহযোগী ঋণদানকারী সংস্থা হিসাবে সঙ্গে নিয়েছে কারুর বৈশ্য ব্যাঙ্ককে (কেভিবি)। ‘অ্যামাজন পে ল্যাটার’—এ নির্ঝঞ্ঝাটে টাকা মোটানোর সুযোগ থাকছে। এই ব্যবস্থা পুরোপরি নিরাপদ। এতে
ক্রেতারা মাসিক বিল অটোরিপেমেন্ট ব্যবস্থায় নিয়মিত মেটানোর সুযোগ পাবেন। কিংবা তাঁদের পছন্দমতো ব্যাঙ্কের মাধ্যমে ইএমআইয়ের সাহায্যেও মেটাতে পারবেন। সব বকেয়া টাকা একেবারে মেটানোর সুযোগও থাকবে এবং তাতে বাড়তি কোনও টাকা দিতে হবে না। ক্রেতারা কত ঘন ঘন এই অফার ব্যবহার করছেন এবং কত ভালভাবে টাকা শোধ করছেন, এসব বিচার করে ঋণের সীমা আরও বাড়ানো হবে। অ্যামাজন পে ইন্ডিয়ার সিইও মহেন্দ্র নেরুরকার বলেন, ‘অ্যমাজন ডট ইনে আমরা সর্বদা চেষ্টা করি যাতে ক্রেতাদের টাকা মেটানোর আরও সহজ ও উন্নত রাস্তা খুঁজে বের করা যায়। এবং কেনাকাটার ব্যাপারটাকেও আমরা খুব সহজলভ্য করে তুলতে চাই। অ্যামাজন পে ল্যাটার হল এক অনন্য পরিষেবা যার সাহায্যে ক্রেতারা সহজে আরও ঋণ নেওয়ার এবং কেনাকাটার টাকা মেটানোর সবচেয়ে সুবিধাজনক সুযোগ পাবেন। এখনকার এই সময়ে অ্যামাজন পে ল্যাটার আমাদের ক্রেতাদের এমন ক্ষমতা দেবে যা দিয়ে তাঁরা তাঁদের মাসিক খরচ আরও ভালভাবে চালাতে পারবেন। ’

অ্যামাজন পে সম্পর্কে: অ্যামাজন ইন থেকে যে কোনও জায়গায় যে কোনও জিনিস কেনাকাটা করার পর সবচেয়ে নিরাপদে, সবচেয়ে সহজে এবং সবচেয়ে লাভজনক উপায়ে টাকা মেটানোর রাস্তা হল অ্যামাজন পে। অ্যামাজন সবসময়েই অ্যামাজন পের সুযোগসুবিধা বাড়িয়ে চলেছে। এতে লক্ষ লক্ষ ক্রেতা নগদ টাকার বদলে ডিজিটাল পেমেন্টের পথ বেছে নিচ্ছেন। এবং সরকারের ইলেকট্রনিক পেমেন্ট নীতির ওপর জোর দেওয়াকে তাঁরা এভাবেই সমর্থন করছেন। এভাবেই ভারতে গড়ে উঠছে নগদের ব্যবহারহীন এক সমাজ। অর্ডার করার পর এক ক্লিকেই পেমেন্ট করতে পারেন ক্রেতারা। এভাবে ক্রেতাদের অনলাইনে পেমেন্টের বিষয়টিকে আরও মসৃন করে তোলে অ্যামাজন পে। এর ফলে চেক আউটের পুরো প্রক্রিয়াটি হয়ে ওঠে দ্রুত ও নির্ঝঞ্ঝাট। ডেলিভারির সময়ে সঠিক পরিমাণ অর্থ নগদে দিতে গিয়ে প্রায়ই সমস্যায় পড়তে হয় ক্রেতাদের। ক্যাশ লোড বৈশিষ্ট্য থাকার ফলে ক্রেতাদের সেই যন্ত্রণা থেকেও মুক্তি দেয় অ্যামাজন পে। আরও জানতে হলে দেখুন www.amazonpay.in

অ্যামাজন সম্পর্কে: অ্যামাজনের পথ প্রদর্শক নীতি চারটি— প্রতিযোগী না হয়ে ক্রেতাকে কাছে টানায় জোর, উদ্ভাবনের জন্য তীব্র আবেগ, কাজেকর্মে উৎকর্ষের প্রতি দায়বদ্ধতা এবং দীর্ঘমেয়াদি ভাবনাচিন্তা। ক্রেতার মতামত জানা, এক ক্লিকে কেনাকাটা, ব্যক্তিনির্ভর সুপারিশ, এগুলোই অ্যামাজনের আসল আকাঙ্খার পরিতৃপ্তি। অ্যামাজন যে সব পণ্য বিক্রি করে ও পরিষেবা দেয় সেগুলির মধ্যে রয়েছে এডব্লিউএস, কিন্ডল ডিরেক্ট পাবলিশিং, কিন্ডল, ফায়ার ট্যাবলেটস, ফায়ার টিভি, অ্যামাজন ইকো, এবং অ্যালেক্সা। আরও জানতে হলে দেখুন : www.amazon.com/about

More from GeneralMore posts in General »

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *