Press "Enter" to skip to content

প্রদীপ মিস্ত্রী’র পরিচালনায় মুক্তি প্রতীক্ষায় “সুন্দরবনের গপ্পো”….।

গোপাল দেবনাথ : ১৭, মার্চ ২০২১। করোনা অতিমারীর সময় নানা কারণে বহু সিনেমা আটকে ছিল। অনেক সিনেমার শ্যুটিং ও শেষ করা সম্ভবপর হয়নি। আবার বহু সিনেমার কাজ শেষ হয়ে গেলেও মুক্তি প্রতীক্ষায় আটকে আছে। এর আগে আমাদের প্রিয় ভ্রমণস্থল সুন্দরবন এর উপর অনেক সিনেমা হলেও লেখক ও পরিচালক প্রদীপ মিস্ত্রী র দাবি আমাদের সিনেমা ‘সুন্দরবনের গপ্পো’ একটু অন্যরকম। এমনিতেই ছোটদের নিয়ে খুব কম সিনেমা নির্মিত হয়। এর আগে ‘সুন্দরবনের গপ্পো’ বহু পুরস্কারে ভূষিত হয়েছে। ফেস্টিভ্যালে প্রিয় এই সিনেমা প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে আগামী ২৬ শে মার্চ। সিনেমা প্রসঙ্গে প্রদীপ বাবু গল্পটি সাংবাদিকদের ছোট করে বলেন,

সুন্দরবনের মৎস্যজিবি পরিবারের ছোট্ট ছেলে নরেন খুব আগ্রহী জঙ্গলে কীভাবে মাছ ধরে সেটা জানার জন্য। একদিন নরেন তাঁর বাবাকে রাজি করিয়ে জঙ্গলে মাছ ধরতে যায় তার বাবা ও কয়েকজন কাকুর সাথে। গভীর রাত্রে যখন সবাই মাছ ধরতে ব্যস্ত থাকে ঠিক তখনই বাঘ নরেনের বাবার উপর ঝাঁপিয়ে পরে এবং তাকে জঙ্গলের গভীরে টেনে নিয়ে যায়। সবাই বাঘের পিছু নেয় দেহ ছাড়াবার জন্য, নরেন ও তাদের সঙ্গে যায় কিন্তু দলছুট হয়ে জঙ্গলে হারিয়ে যায়।

একটি ছোট্ট মেয়ে নাম ঝিনুক সে নরেন কে বাঘের অ্যাটাক থেকে বাঁচিয়ে গভীর জঙ্গলে তাদের ডেরায় নিয়ে যায়, নরেন গিয়ে দেখে সেখানে সব গাছের উপরে বাড়ি বানানো আছে। সেখানে গিয়ে নরেন জানতে পারে ঝিনুক হচ্ছে বিখ্যাত জঙ্গল দস্যু রহমান ডাকাতের মেয়ে।

নরেন ঝিনুকের সাথে থাকতে শুরু করে এবং দুজনের বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। রহমান ডাকাত যত রাগি হোক না কেন, সে মনের দিক থেকে খুব নরম তার মেয়ে ঝিনুকের প্রতি। ঝিনুক ঘুরে ঘুরে নরেনকে জঙ্গল পরিদর্শন করায়। ঝিনুক কে নরেন পড়াশোনা শেখাতে থাকে, ঝিনুক আনন্দের সাথে নরেনের সাথে পড়াশোনা করতে থাকে।

একদিন ঝিনুক নরেন বোটে করে মাছ ধরতে যায় রহমান ডাকাতের সাথে। রহমান জেলের বেশে সেজে যায় তাই ফেরার পথে একজন ফরেস্ট অফিসারের সাথে দেখা হলেও রহমান ডাকাত কে চিনতে পারে না। নরেন ও মুখ ফুটে কিছু বলে না কারন সে জানে এই পুরো জঙ্গলে রহমান ডাকাত ছাড়া ঝিনুকের আপন বলতে আর কেউ নেই।

রহমান ডাকাত নরেনের এমন ব্যাবহারে খুব খুশি হয় এবং একদিন খুব ভোরে যখন সবাই ঘুমাচ্ছে রহমান নরেনকে একজন জেলের নৌকায় চাপিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেয়।

খুব সকালে ঝিনুক ঘুম থেকে উঠে নরেনকে দেখতে না পেয়ে তার বাবার কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করে নরেন কোথায়? রহমান ডাকাত বলে- গতকাল রাত্রে নরেনকে বাঘে ধরেছে। ঝিনুক কাঁদতে থাকে। নরেন বোটে করে বাড়ি ফিরতে থাকে। তার চোখে জল সে গভীর জঙ্গলের দিকে তাকিয়ে থাকে। এই সিনেমার প্রযোজক- শুভংকর বিশ্বাস, এস কে মন্ডল এবং সেখ আব্দুল লাল প্রযোজনা সংস্থা- শ্রী কৃষ্ণ ইন্টারন্যাশনাল ফিল্মস, ডেস্টিনেশন পিকচারস এবং এস এম ডি এন্টারটেনমেন্ট।

অভিনয়ে-অবিনাশ রায়, রোহিনি সেন, শান্তিলাল মুখারজী দেবেশ রায় চৌধুরী, সন্দীপ মন্ডল, শান্তনু দাস চিত্রা মুখারজী, সুজিত মুখারজী এবং অন্যান্য অভিনেতা ও অভিনেত্রীগণ। সঙ্গীত পরিচালনায়- প্রসেঞ্জিত দে। গান গেয়েছেন- প্রসেঞ্জিত দে এবং পাপড়ি মহাজন। আবহ সঙ্গীত – রবিন লাই (ভূমি), বিশ্বজিৎ কাঞ্জিলাল। চিত্রগ্রহন- প্রিয়রঞ্জন বেহড়া।সম্পাদনা- অরিন্দম গায়েন। সম্পাদনা- অরিন্দম গায়েন। ইতিমধ্যে এই সিনেমাটি যে সকল ফেস্টিভ্যালে সম্মানিত হয়েছে তার একটি তালিকা দেওয়া হলো।

LIFFT INDIA AWARS 2020
Winner
INDO-GLOBAL INTERNATIONAL FILM FESTIVAL 2020
Best Children’s Film
FIRST TIME FILM MAKER SESSION 2020
Best Feature Film
LIFT INDIA FILMOTSAB WORLD CINE FEST 2020
Official Selection
AHMEDABAD INTERNATIONAL CHILDREN FILM FESTIVAL 2020
Official Selection

More from GeneralMore posts in General »

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.