Press "Enter" to skip to content

পণ্ডিত এ কাননের জন্ম শতবার্ষিকী পালন করতে ‘কলাকার’ আয়োজন করেছে “গুরু শিষ্য পরম্পরা” নিয়ে ফেসবুক লাইভ অনলাইন অনুষ্ঠান………..

Spread the love

গোপাল দেবনাথ: কলকাতা, ২৫ এপ্রিল ২০২০ সঙ্গীত রিসার্চ একাডেমির প্রাক্তন স্কলার চন্দ্রা চক্রবর্তীর সংস্থা কলাকার। অন্য সব সংস্থার চেয়ে আলাদা, কারণ কলাকার কাজ করে বিগত দিনের নামি শিল্পীদের জীবন নিয়ে। বেগম আখতার, বড়ি মতি বাই, সিদ্ধেশ্বরী দেবী বা তানসেন এর কন্যা সরস্বতী’র জীবনের ওপর ভিত্তি করে অভিনয়, গান আর পাঠের মধ্যে দিয়ে কলাকারের মিউজিক্যাল গুলো লন্ডনের সঙ্গীত প্রেমীদের কাছে এক অন্য অভিজ্ঞতা। তাই কোনো শোতে একটা চেয়ারও খালি পড়ে থাকে না। এই লকডাউনের সময় যখন সারা বিশ্বের সব ধরণের সংগীত কলা নৃত্যের আসর বন্ধ, তখন চন্দ্রার গুরুজী পণ্ডিত এ কাননের জন্ম শতবার্ষিকী পালন করতে কলাকার আয়োজন করেছে “গুরু শিষ্য পরম্পরা” নিয়ে ফেসবুক লাইভ অনলাইন অনুষ্ঠান। প্রতি অনুষ্ঠানে থাকছেন পৃথিবী বিখ্যাত সব শিল্পী। কথা আর গানের মধ্যে দিয়ে যারা কানন সাহেব কে স্মরণ করছেন। শুধু তাই নয়, গুরু শিষ্য পরম্পরা জিনিসটাই যে হারিয়ে যেতে বসেছে, তাই বিদেশে বা ভারতেও এই প্রজন্মের যারা শাস্ত্রীয় সঙ্গীত নিয়ে উৎসাহী, তাদের কাছে গুরু পরম্পরার ধারা, গুরু পরম্পরার গল্প পৌঁছে দেওয়াই এই সেশন গুলোর উদ্দেশ্য। শিল্পীরা তাদের শিক্ষার অভিজ্ঞতা বলছেন, তাদের গুরুর কথা বলছেন। এই ধরণের গল্প কোনো সাধারণ সঙ্গীতের আসরে শোনা যায় না। সেই কারণে ইতিমধ্যেই শিল্পী এবং শ্রোতা, সবাই এই আসরে যোগ দিতে উৎসাহী। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন উস্তাদ রাশিদ খান, উস্তাদ সুজাত খান, পণ্ডিত শুভঙ্কর ব্যানার্জী, পণ্ডিত তন্ময় বোস, ডক্টর পণ্ডিত রণজিৎ সেনগুপ্ত, মুরাদ আলী খান থেকে শুরু করে রূপঙ্কর বাগচী ও শ্রাবনী সেন। এই সকল নামি শিল্পী ছাড়াও উপস্থিত থাকবেন প্রতিভাময় নতুন শিল্পীরা। সন্দীপ মল্লিক, ইন্দ্রায়ুধ মজুমদার, বিপ্লব ভট্টাচার্য, শুভঙ্কর ভাস্কর, অঞ্জন মজুমদার সহ আরো অনেকে।

এ তো শুধু গতানুগতিক গানের অনুষ্ঠান নয়, এই অনুষ্ঠানে নিজের গুরু গৃহ, গুরুর স্নেহ ভালোবাসা, বকুনি, শিক্ষা এমন সব বিষয় নিয়ে শিল্পীরা কথা বলবেন, এই সুযোগই বা কোথায় পাওয়া সম্ভব হবে! তাই চন্দ্রার ডাকে সব শিল্পীরা সাড়া দিয়েছেন। শুধু ইউ কে বা ভারত নয়, এই অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে নিজের গুরুকে নিয়ে কথা বলতে চাইছেন বাংলাদেশ, আমেরিকা, কানাডা, সাউথ আফ্রিকা থেকেও শিক্ষার্থীরা। নতুন প্রজন্মের জন্য সত্যিই এক নতুন অভিজ্ঞতা। অবশ্যই সাধুবাদ জানাতে হয় চন্দ্রা চক্রবর্তী কে।

More from GeneralMore posts in General »

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *