Press "Enter" to skip to content

দিল্লিতে প্রখ্যাত চিকিৎসক দম্পতি প্রদীপ্ত কুমার শেঠি এবং মধুস্মিতা বেহেরা গৌরবশ্রী-২৪ সম্মানে সম্মানিত হলেন…।

Spread the love

গোপাল দেবনাথ : দিল্লি, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪।আজকের দিনে সাধারণ মানুষের মনে একটা ধারণা তৈরি হয়েছে ডাক্তারবাবু মানেই পকেট কেটে সর্বস্ব নিয়ে নেবে। কিন্তু এর বাইরেও এমন অনেক ডাক্তারবাবু আছেন যারা নিজেদের পকেটের টাকা খরচ করে মানবসেবায় ব্রতী হন। তেমনই এক চিকিৎসক দম্পতিরা হলেন প্রখ্যাত চিকিৎসক ডাঃ প্রদীপ্ত কুমার শেঠি এবং ডাঃ মধুস্মিতা বেহেরা। প্রদীপ্ত বাবু হলেন একজন সফল গ্যাস্ট্রোলজিস্ট চিকিৎসক এবং প্রদীপ্ত বাবুর শ্রীমতি ডাঃ মধুস্মিতা বেহেরা যিনি একজন সফল প্রখ্যাত চক্ষুরোগ বিশেষজ্ঞ। এই বিখ্যাত চিকিৎসক দম্পতি শুধু রোগীদের সেবা করে ক্ষান্ত থাকেন না। প্রদীপ্ত কুমার শেঠি তার প্রয়াত পিতা ডঃ ভীমসেন শেঠির নামে ভীমসেন ফাউন্ডেশন গঠন করার পর গত ১০ বছর ধরে বিভিন্ন ধরণের সামাজিক কর্মকাণ্ডে করে চলেছেন। ইতিমধ্যে শিশু, মহিলা, যুবকদের জন্য বিভিন্ন ধরণের দাতব্য কার্যক্রম যেমন, চিকিৎসা শিবির, মাদক সচেতনতা শিবির, মেধাবী দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য সঠিক শিক্ষার ব্যবস্থা সেইসাথে ওড়িয়া স্কুলের শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষামূলক সামগ্রী প্রদান সহ আরও বহু সেবামূলক কাজ।

এই ফাউন্ডেশনের চলমান সামাজিক কাজের জন্য চিকিৎসক দম্পতিদের সেবাকে সন্মান জানাতে গত ৫ ফেব্রুয়ারি রাজধানী দিল্লিতে  রিপাবলিক অফ দ্য ইউনিয়ন অফ মায়ানমার দূতাবাস এবং মৈত্রী প্লেস ফাউন্ডেশন থেকে পৃথক পৃথক ভাবে গৌরবশ্রী সম্মান-২০২৪ সন্মান জানিয়ে এই সেবার স্বীকৃতি দেওয়া হলো। এই সম্মান চিকিৎসক দম্পতিদের হাতে তুলে দিলেন মাননীয় কেন্দ্রীয়মন্ত্রী রামদোশ আঠাওয়ালা এবং মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত কায়ো ইয়াং। নিজেদের অর্থ দিয়েও অসহায় গরিবদের পাশে দাঁড়িয়েছেন এই চিকিৎসক দম্পতি। ওড়িশার পুরী জেলার দামপুরের বাসিন্দা ডাঃ শেঠি এখন কলকাতায় স্থায়ীভাবে বসবাস করেছেন। ইতিমধ্যে ডঃ প্রদীপ্ত কুমার শেঠি তার  সেবামূলক কাজের জন্য বুদ্ধ শান্তি আন্তর্জাতিক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।

More from CultureMore posts in Culture »
More from EntertainmentMore posts in Entertainment »
More from HealthMore posts in Health »
More from InternationalMore posts in International »

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *