Press "Enter" to skip to content

কলকাতায় অসম ভবনে ভোগালি উৎসব

Spread the love

সুজিৎ চট্টোপাধ্যায়/ গোপাল দেবনাথ: কলকাতা, ১৭ই জানুয়ারি ২০২০ সূর্য বা মিত্রই যে ক্রমবিকাশের ভেতর দিয়ে কালে শুধু দেবী দুর্গা কেন সমস্ত দেবদেবীতে পরিণত হয়েছিলেন এ বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই। মিত্র ধর্ম ও মিত্রপূজার জন্মদিন ভারতবর্ষ।
অসমেও ঋতু বন্দনায় শীতের শেষে বসন্ত কে আমন্ত্রণ জানানোর উৎসবই ভোগালী বিহু। নতুন ফসল ঘরে ওঠার জন্য মানুষের আর্থিক লাভ মনে আনন্দ এনে দেয়, তারই বহিঃপ্রকাশ উৎসব পালন। অসমে আরও দুটি বিহু উৎসব হয়। একটি বৈশাখে নববর্ষ, অন্যটি আশ্বিন মাসে কাঙ্গালী বিহু। নামেই প্রকাশ যে উৎসব আকারে ছোট। পৌষ সংক্রান্তির ভোগালী বিহুই অসমবাসীদের শ্রেষ্ঠ উৎসব। প্রতিবেশী রাজ্য অসমের বহু নাগরিক রুটি রুজির টানে কলকাতার মাটিতে প্রবাসী জীবন কাটান। নিজের মতো করে পালন করেন জাতীয় উৎসব।
এ বছরও কলকাতার অসম ভবনে ১৮৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত এ এইচ এল ক্লাবের উদ্যোগে পালিত ভোগালি উৎসব।
উৎসবে অসমীয়া মেঠো লোকগীতির সুর আর লোকনৃত্য সঙ্গে জমকালো অসমিয়া পোশাক অসমীয়া সংস্কৃতিতে নিজের সত্ত্বা কে তুলে ধরার প্রয়াস প্রশংসার দাবি রাখে। উৎসবে পেটপুজো র ও ব্যাবস্থা ছিল। ছিল অসমীয়া কৃষি বিকাশের ধারা মেনে বিভিন্ন পিঠেপুলির সম্ভার। অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাইকে ভোগালি বিহুর শুভেচ্ছা জানান সংগঠনের পক্ষে চন্দন কুমার ফুকন। তিনি বলেন, শুধু অসমীয়া নন, সব ধর্মের সব রাজ্যের মানুষদের নিয়েই এই উৎসব। খড়ের গাদা দিয়ে বানানো মেজ জ্বালিয়ে আমরা শীত কে বিদায় দিয়ে বসন্ত ঋতু কে বরণ করি। এই উৎসবের মধ্য দিয়ে দেশের সব ভাষাভাষী, জাতি ধর্ম নির্বিশেষে সবার সুখী জীবন কামনা করি ।

More from GeneralMore posts in General »

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *