Press "Enter" to skip to content

ওয়েস্ট বেঙ্গল হোসিয়ারী এসোসিয়েশনের ১২৫ তম বর্ষ পূর্তি উদ্বোধনে- কেন্দ্রীয় বস্ত্রমন্ত্রী স্মৃতি ইরানি

গোপাল দেবনাথ – কলকাতায় আই টি সি রয়্যাল বেঙ্গল হোটেলে ওয়েস্ট বেঙ্গল হোসিয়ারী এসোসিয়েশনের ১২৫ তম বর্ষ পূর্তি উপলক্ষ্যে সারাদিন ব্যাপী এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন কেন্দ্রীয় বস্ত্র, মহিলা ও শিশু বিকাশ মন্ত্রী শ্রী মতী স্মৃতি ইরানি। উপস্থিত ছিলেন অশোক কুমার টোডি, প্রেসিডেন্ট- ডব্লিউ. বি. এইচ. এ, সন্দীপ সেকসারিয়া, সেক্রেটারি-ডব্লিউ. বি. এইচ. এ। ভারতবর্ষের মধ্যে শতবর্ষ প্রাচীন এই হোসিয়ারী শিল্পের জন্মস্থান এই কলকাতায়। হোসিয়ারী শিল্পের প্রথম কারখানা চালু হয় কলকাতার খিদিরপুর অঞ্চলে। এই সব কথা জানা গেল অশোক কুমার টোডির কাছ থেকে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি কে সংস্থার পক্ষ থেকে সম্মাননা প্রদান করা হয়। কেন্দ্রীয় বস্ত্রমন্ত্রী বলেন, টেকনোলজি আপগ্রেডেশন ফান্ড নিয়ে রাজ্যের হোসিয়ারী সংস্থা কতৃপক্ষের অভিযোগ রয়েছে। এখানকার হোসিয়ারী শিল্পের সঙ্গে যুক্ত কর্তারা ওই ফান্ড পেতে গেলে মুম্বাইতে রিজিওনাল টেক্সটাইল কমিশনারের কাছে যেতে হয়। এর পরেও নানা ধরণের জটিলতায় সমস্যা হয়। এখানে যে অফিস রয়েছে, সেখান থেকে ‘টাফ’ পাওয়া যায়না। তাই আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি, আগামী দু সপ্তাহের মধ্যে টাফ সংক্রান্ত একটি বিশেষ ক্যাম্প কলকাতায় করা হবে। এছাড়াও হোসিয়ারীর অন্তর্গত নিটওয়্যার নিয়ে বিশেষ বৈঠক ডাকতে চলেছি। মন্ত্রী এদিন হোসিয়ারী সংস্হার কর্তাদের বলেন, হোসিয়ারী শিল্পের জন্য যাবতীয় যন্ত্রপাতির আপনারা আধুনিকরণ করুন। কেন্দ্র আপনাদের পাশে থাকবে। তবে আমার একটাই বক্তব্য চীনের কাছ থেকে পুরোনো যন্ত্রপাতি কিনে নয়, নতুন আধুনিক যন্ত্রপাতি বসান। এতে মালপত্র বানানোর খরচও কমবে এবং সেগুলির মানেরও উন্নতি ঘটবে। এই অনুষ্ঠান মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন সুদেশ কুমার আগরওয়াল, রমেশ আগরওয়াল, বিনোদ গুপ্তা, রাকেশ বিয়ানি, সঞ্জয় কুমার জৈন, পদ্মশ্রী ডঃ এ শক্তিভেল, কে.বি. আগরওয়াল, বি. ডি. কোঠারি, শারদ ভট্টের ও প্রদীপ অরোরা সহ বিশিস্ট উদ্যোগপতি গণ।

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.