Press "Enter" to skip to content

ইউনিকা মিস্ অ্যান্ড মিসেস কলকাতা ২০২০ প্রতিযোগিতা এপ্রিলে…………

Spread the love

সুজিৎ চট্টোপাধ্যায়: কলকাতা, ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ খ্রিস্টপূর্ব ষষ্ঠ শতকে গ্রীক জনপথ করিন্থের জনগন তাঁদের স্বপ্নের নতুন শহর ব্যাসিলিসের প্রতিষ্ঠা উপলক্ষে দেশের রাজার সৌজন্যে সুন্দরী প্রতিযোগিতা প্রত্যক্ষ করেন।তবে প্রথম সেই প্রতিযোগিতা ছিল বিতর্কিত।কেননা বিচারকেরা সেবার সেরা সুন্দরী নির্বাচন করেন রাজা কিপসেলাসের স্ত্রীকে। আধুনিক যুগে মার্কিন দেশে ১৮৫৪ সালে প্রথম সুন্দরী প্রতিযোগিতা চালু হলেও মাত্র দুবছর পর রক্ষণশীল সমাজের চাপে বন্ধ হয়ে যায়। তারপর শুরু প্রায় একশো বছর পর। সেনাবাহিনীর কর্মরত মহিলাদের নিয়ে হতো সেই প্রতিযোগিতা। কৌলীন্য পায় মিস্ ইউনিভার্স প্রতিযোগিতা শুরু হওয়ার পর।তারপর বিশ্ব সুন্দরী। গুণমানে অবশ্য মিস্ ইউনিভার্স এগিয়ে।আজকের মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ছিলেন ব্যবসায়ী। সুন্দরীদের প্রতি দুর্বলতা তাঁর বরাবরই। মিস্ ইউনিভার্স প্রতিযোগিতা তিনি পরপর পাঁচ বছর স্পনসর করেন। পরে মিস্ স্টেটস প্রতিযোগিতারও আয়োজন করেন তিনি।
ভারতের জন্য স্মরণীয় দিন ১৭ নভেম্বর। ১৯৬৬।লন্ডনের লাইসেয়াম বলরুমে ঘোষিত হয় সে বছরের সেরা সুন্দরীর নাম। ভারতের রীতা ফারিয়া হন প্রথম সেরা সুন্দরী। মিস্ ইউনিভার্স।এরপর বহু ভারতীয় এমনকি বঙ্গনারী সুস্মিতা সেনও জয় করেছেন বিশ্বমুকুট।তারপর থেকে ভারতীয় নারীদের মনে সুপ্ত বাসনা সঞ্চারিত হতে থেকেছে বিশ্বজয়ের মুকুট মাথায় তোলার।
সেই স্বপ্নপূরণের কিছুটা দায়িত্ব নিজেদের কাঁধে তুলে নিয়েছে অভিত্রি এন্টারটেনমেন্ট প্রাইভেট লিমিটেড। এরা আয়োজন করেছেন ইউনিকা মিস্ অ্যান্ড মিসেস কলকাতা ২০২০। এই উপলক্ষে কলকাতার প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে উদ্যোক্তাদের পক্ষে শো ডিরেক্টর ও মেন্টর তৃষা দাস জানালেন,অবিবাহিত মেয়েদের পাশাপাশি বিবাহিত মেয়েদের কাছে আমরা বার্তা পৌঁছে দিতে চাই, বিয়ে নারী জীবনে অতিরিক্ত দায়িত্ব বর্তায় ঠিকই ,কিন্তু নিজের অস্তিত্বকে বিসর্জন দিয়ে নয়। তাই তাঁদের জন্যও আমরা প্রতিযোগিতার ব্যবস্থা রেখেছি। সেরার লড়াইতে শুধু সৌন্দর্য্য বা গায়ের রঙ প্রধান বিচার্য নয়। বুদ্ধিমত্তা,সাহসিকতা, স্বচ্ছ দৃষ্টিভঙ্গি ব্যক্তিত্ব, সাধারণ জ্ঞান, উপস্থিত বুদ্ধি ইত্যাদি যোগ্যতার মাপকাঠি হবে। এখন চলছে গ্রূমিং পর্ব।প্রতিযোগিতার তারিখ ১৭ এপ্রিল২০২০।
সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা অভিষেক সাহা, মানসিক গঠনে যিনি প্রতিযোগীদের অনুপ্রাণিত করবেন সেই প্রফেসর ড, সুজয় বিশ্বাস, বিশিষ্ট নৃত্যশিল্পী ও বালু শিল্পী অভিজিৎ বোস প্রমুখ। প্রতিযোগিতায় সেরারা পরিচালক ও প্রযোজক অরুণিমা দে’ র আগামী ছবিতে অভিন়য়ের সুযোগ পাবেন। এছাড়াও বিভিন্ন পণ্যের বিজ্ঞাপনে মডেল হওয়ারও সুযোগ মিলবে এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী বিজয়ীদের।

More from GeneralMore posts in General »

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *