
গোপাল দেবনাথ- কাঁচরাপাড়ার ঈশানী বাচিক চর্চা কেন্দ্র তার সীমিত সামর্থ্য নিয়ে গুটি গুটি পায়ে এগিয়ে চলেছে বাচিক শিল্পের প্রসারে। এক বছরের মধ্যেই তিনটি অনুষ্ঠান করে ফেলেছে এই সংস্থা। এই সংস্থার আয়োজনে তৃতীয় অনুষ্ঠান হয়ে গেল গত ২৭ ডিসেম্বর শুক্রবার সন্ধ্যায় জীবনানন্দ সভাঘরে। বাচিক শিল্পের উন্নতিকল্পে এদিন বাংলা উচ্চারণ রীতি নিয়ে এক কর্মশালা হয়। প্রশিক্ষণে ছিলেন ‘বাংলা উচ্চারণ রীতি’ পুস্তকের লেখক শ্রী ভাস্কর জ্যোতি সেনগুপ্ত। একক আবৃত্তিতে ছিলেন পাপড়ি দাস। বিভিন্ন কবির একগুচ্ছ ভিন্ন স্বাদের কবিতা শোনান তিনি। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কর্ণ কুন্তী সংবাদ পরিবেশন করেন প্রসেনজিৎ ঘোষ ও পাপড়ি দাস। প্রসেনজিৎ ও পাপড়ির পরিবেশনার গুনে কর্ণ কুন্তী সংবাদ অত্যন্ত আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। ছিল কবি কন্ঠে কবিতা। একগুচ্ছ শ্রুতি নাটক পরিবেশনায় ছিল ভবানীপুর আন্তরিক। সত্যজিৎ রায়ের লেখা ‘আমি ভূত’, আবৃত্তাঙ্গন এর পরিবেশনায় সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ‘নন্দনকাননে দ্রৌপদী’, কলকাতা কলাকুশলীর পরিবেশনায় সুদর্শন দাশ এর নাটক ‘আদুরে মাসি’ উপস্থিত দর্শকদের নজর কাড়ে। আর্টস পজিটিভ এর পরিবেশনায় বনানী মুখোপাধ্যায় রচিত ‘কি গেরো’ এবং ঈশানী বাচিক চর্চা কেন্দ্রের পরিবেশনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দুই পাখি কবিতা অবলম্বনে নাটক ‘খাঁচার পাখি বনের পাখি’। আবহে ছিলেন আশীষ ঘোষ। সমগ্র অনুষ্ঠানের ভাবনা ও রূপায়ণে পাপড়ি দাস। এই অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন তাপসী কুমার।










Be First to Comment