গোপাল দেবনাথ/ সুজিত চট্টোপাধ্যায়: কলকাতা,৩রা জানুয়ারী ২০২০, শুধু মানব মন বা দেহে গন্ধ প্রতিক্রিয়া ঘটায়,তা নয়। কুকুরদের ঘ্রাণশক্তি কুকুরকে মানুষের বন্ধুও করে তুলেছে। এমনকি ভূত,পেত্নী, রাক্ষস,খোক্ষসদেরও যে গন্ধ শক্তি প্রবল তার পরিচয়ও আমরা পেয়েছি। নাহলে তারা বলবে কেন হাউ মাউ খাঁউ, মানুষের গন্ধ পাউ।
গন্ধ নিয়ে বলতে হলে মনে পড়ে যায়, সুকুমার রায়ের গন্ধবিচার কবিতাটি। সিংহাসনে বসলো রাজা বাজলো কাঁসর ঘন্টা, ছটফটিয়ে উঠলো কেঁপে মন্ত্রীবুড়োর মনটা-বললে রাজা, মন্ত্রী তোমার জামায় কেন গন্ধ? মন্ত্রী বলে এসেন্স দিছি গন্ধ তো নয় মন্দ …….
ইতিহাস বলছে, ঔরংজেবের সেনারা শত্রু সেনাদের কচুকাটা করতো।
জমতো লাশের পাহাড়। পচা গন্ধ দূর করতে বাঁশে প্রাকৃতিক ভেজষ মাখিয়ে মৃত সেনাদের লটকে পুড়িয়ে দিতো। ফলে পচা গন্ধ থেকে মুক্তি মিলতো। ইতিহাস বলে মিশরে প্রথম লতাগুল্মের নির্যাস থেকে সুগন্ধি তৈরি হয়। আলেকজান্ডারের হাত দিয়ে যা পৌঁছে যায় গ্রীসে।
ভারতে সুগন্ধি নির্মাণের সুপরিচিত সংস্থা রিপল ফ্রাগরেন্সেস আগরবাতি থেকে এয়ারোস্পেসের বাজারে ভিত তৈরি করে কয়েক মাস আগে বাজারে আনে ডি এন এ পারফিউম কুইকি। এই মুহূর্তে বাজারে নিয়ে এলো সময়োপযোগী ডিওডোরেন্ট লাইন, ডি এন এ ডিও অন দ্য গো।
আকর্ষক চারটি গন্ধে এই পণ্যটি বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। যে চারটি সুগন্ধে পাওয়া যাবে তা হল ব্লু সুইড, গ্ল্যাম এন্ড গ্লিটজ, এক্সট্রিম স্পোর্ট এবং ডিয়াব্লো।
সংস্থার পক্ষে চিফ বিজনেস ক্রিয়েটার অনীক ব্যানার্জি জানান, উচিত মূল্যে উচ্চমানের আধুনিক ডিও স্প্রে উপভোক্তাদের হাতে তুলে দেওয়া। এই ডিওর দারুণ ডিজাইন এবং দীর্ঘস্থায়ী গন্ধ ব্যবহারকারীদের পছন্দ হবেই। আমাদের এই প্রোডাক্ট ইতিমধ্যেই ইন্টারন্যাশনাল ফ্রাগরেন্সেস এসোসিয়েশন থেকে প্রশংসাও পেয়েছে।
সংস্থার পথচলা শুরু ১৯৪৮ সালে। বিখ্যাত ধূপ ব্র্যান্ড সাইকেল। সংস্থার বৈশিষ্ট সমস্ত সুগন্ধি নিজস্ব উৎপাদন কেন্দ্রে তৈরি হয়। ফলে গুণমানের ক্ষেত্রে একশো শতাংশ উৎকর্ষতার দাবি করে রিপল ফ্ল্যাগরেন্সস সুগন্ধি নির্মাণ সংস্থা।বেঙ্গল চেম্বার কমার্স ইন্ডাস্ট্রিস এর সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ডঃ শিরীন রেগিনাল্ড, চন্দ্র শেখর রায়, চন্দ্র শেখর পাতিল এবং মডেল সালমান খান।
















Be First to Comment