সুজিত চট্টোপাধ্যায়: কলকাতা,৮ই জানুয়ারি ২০২০ মঙ্গলবার মুম্বইয়ের প্রধান কার্যালয় থেকে ভিডিও কনফারেন্সে দেশব্যাপী সাংবাদিক সম্মেলন করল নাইট ফ্র্যাঙ্ক সংস্থা। এই সংস্থার দেশব্যাপী কার্যালয়ে প্রায় হাজার কুশলী কর্মী মূলত গৃহ ও অফিস বাড়ির পেশাদার পরামর্শ দাতা সংস্থা। দীর্ঘ একশো চার বছরের অভিজ্ঞতার নিরিখে গৃহ শিল্পের বাজার সমীক্ষা তাঁরা করে থাকেন। ভিডিও কনফারেন্সে সংস্থার চেয়ারম্যান সুশীল বেজাল সারা ভারতের প্রধান শহর গুলির ওপর করা সমীক্ষায় উঠে এসেছে নতুন বছরে জিডিপি বাড়বে ফলে দেশে গৃহ বাড়ি ও জমির কেনাবেচা বাড়বে।
কলকাতা কার্যালয়ের ব্রাঞ্চ ডিরেক্টর স্বপন দত্ত এবং অন্য কর্মকর্তা সুগত সরকার ও পুষ্কর বসু সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।
স্বপনবাবু বলেন, ২০১৯ এর শেষ ছয় মাসে কলকাতার গৃহ নির্মাণ শিল্পে জোয়ার আসছে। খাদ্যদ্রব্য ও জ্বালানির ক্রমশ মূল্যবৃদ্ধি বাজারের গতিশীলতার পক্ষে প্রতিকূল হয়েছে। সমীক্ষাতে একটি অদ্ভুত তথ্য ও উঠে এসেছে। ২৫ লাখের নিচে গৃহ কেনাবেচাতে মন্দা থাকলেও আড়াই কোটি মূল্যের বাস্তু কেনার চাহিদা বেড়েছে। অর্থনীতিবিদদের একাংশ বলছেন, সরকারি ও বেসরকারি ক্ষেত্রে গত বছরের শেষ তিন মাসে ৪.৩ লক্ষ কোটি টাকার নতুন শিল্প ঘোষণায় নতুন বছরে দেশের আর্থিক ছবিটা আশাপ্রদ হবে। আর এক অর্থনীতি বিদদের একাংশ বলছেন জিডিপি বাড়লেই মাথাপিছু জিডিপি বাড়ে না। মাথা পিছু আয়ও বাড়ে না। ফলে জাতীয় অর্থনীতি শক্তি
শালী হয় না। জিডিপি র আয়তনে ভারত বিশ্বের সপ্তম বৃহত্তম দেশ। তার মানে কিন্তু ভারত বিশ্বে সপ্তম ধনীদেশ নয়। ২০০৮ এ বিশ্বমন্দার মুহূর্তে দুই নোবেল সমতুল্য পুরস্কার বিজয়ী দুই অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন ও জোসেফ স্টিগলিৎজ বলেছিলেন, শুধু জিডিপি ও তার বৃদ্ধি মাপলে মানুষের উপকার কতটা হল তার প্রমাণ করা যায় না। তাই নতুন মাপকাঠি না আনলে সঠিক নীতিও
তৈরি করা যাবে না।









Be First to Comment